নভেম্বর ৩০, ২০২০
৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
সিলেটের এমসি কলেজে গণধর্ষণ, ৮ আসামির ডিএনএ মিলেছে

সিলেটের এমসি কলেজে গণধর্ষণ, ৮ আসামির ডিএনএ মিলেছে

খবর ডেক্সঃ- এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তদের কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ৮ আসামির ডিএনএর সঙ্গে ঘটনাস্থলের ডিএনএ নমুনার মিল পাওয়া গেছে। রবিবার রাতে ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের।

ঘটনার দুই মাস পর আসামিদের ডিএনএ প্রতিবেদন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এসে পৌঁছেছে। ডিএনএ প্রতিবেদনে তাদের সংশ্লিষ্টতা মিলেছে। তবে আট আসামির ডিএনএ নমুনার মধ্যে পরীক্ষায় কতজনের নমুনায় সংশ্লিষ্টতা রয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

বিএম আশরাফ উল্যাহ বলেন, ডিএনএ প্রতিবেদন শাহপরাণ (রহ.) থানার পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্যের হাতে এসে পৌঁছেছে। এখন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, আলোচিত এ ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও ডিএনএ প্রতিবেদন না আসায় চার্জশিট দেয়া সম্ভব হয়নি। ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে আসায় দ্রুত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট দেয়া হবে এবং বিস্তারিত তথ্য সবাইকে জানানো হবে।

এর আগে গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর দুই দিনে এ মামলায় গ্রেপ্তার ৮ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারের ডিএনএ ল্যাবে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রথমে আদালতে এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে এ প্রতিবেদন রবিবার তদন্ত কর্মকর্তার হাতে এসে পৌঁছেছে।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের ভেতরে একটি রাস্তায় প্রাইভেট কারের মধ্যেই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।

এ ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে ওইদিন রাতেই মহানগর পুলিশের শাহপরাণ (রহ.) থানায় নির্যাতিতা নারীর স্বামী বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় আরো ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলায় আসামিরা হল- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক, হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর, দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম।

শেয়ার করুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *