মার্চ ১৮, ২০২২
১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
হোমনায় সরকারী খাস জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রির কারণে ঝুঁকিতে পঞ্চবটি ব্রীজ

হোমনায় সরকারী খাস জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রির কারণে ঝুঁকিতে পঞ্চবটি ব্রীজ

এস এ ডিউক ভূঁইয়া তিতাস(কুমিল্লা)প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের পঞ্চবটি ব্রীজের নিকট থেকে নিলখী মৌজার ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি খাসজমি থেকে এস্কেভেটর দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রয় করছে একটি চক্র।এতে পঞ্চবটি ব্রীজটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে গত ৯ মার্চ জৈনিক তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে তিতাস উপজেলার উত্তর আকালিয়া গ্রামের হানিফা আমিন,হাসান ও কুদ্দুসের নাম উল্লেখ করে ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর অভিযোগ দাখিল করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, এই
চক্রটি প্রতিদিন এস্কেভেটর দিয়ে মাটি কেটে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।তারা লাভবান হলেও ব্রীজের নিকট থেকে মাটি কাটার ফলে ব্রীজের গোড়ার মাটি সড়ে গিয়ে

ব্রীজের বিরাট ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে এ চক্রটি সরকারি খাস জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করা হলেও তিনি জেনেও না জানার ভান করছেন।বরং উল্টো কেহ অভিযোগ করতে চাইলে তিনি তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিলখী মৌজার ১ নং খাস খতিয়ান ভুক্ত জমিতে একটি মাটি কাটার ইস্কেভেটর রয়েছে। আশে-পাশের জায়গা হতে মাটি কেটে বড় বড় গর্ত করে ফেলেছে। তবে ইস্কেভেটর চালক বা অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।তবে

এলাকাবাসী জানান,প্রতিদিন এস্কেভেটর দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক্টরের সাহায়্যে অন্যত্র মাটি বিক্রি করা হচ্ছে।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হানিফা আমিনের মুঠো ফোনে ফোন করলে দাম্ভিকতার সাথে তিনি বলেন, সরকারি জায়গা থেকে মাটি কাটলে আপনার সমস্যা কি? তাছাড়া আমি আমার নিজের জমি থেকে মাটি কাটছি। সরকারী জমি থেকে কাটিনি।শ্রেণি পরিবর্তন করার জন্য ভূমি অফিস থেকে অনুমতি নিয়েছেন কি না প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, নায়েবের নিকট থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়েছেন তিনি।তবে অভিযোগকারী তোফাজ্জল হোসেন জানান, তার হানিফা আমিনের জমি অনেক দুরে।সে সরকারী খাস জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছে।এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছি। প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এ দিকে নিলখী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হারাদন দাস বলেন, সরেজমিনে গেলে অভিযুক্তরা জানান,তাদের জমি থেকে মাটি বিক্রি করছেন। তবে ম্যাপ অনুযায়ী এখানে সওজ এবং নদীর জমি রয়েছে। তাই সার্ভেয়ারের সাহায্যে নির্ধারণ করা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদন দেয়া হবে।

শেয়ার করুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *